এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি
" বিজয় ও অভ্র " ----যাদের কল্যাণে আমরা বাংলায় কথা বলি
------------------- প্রবাল ভৌমিক, ১৯৯৮ ব্যাচ "আমি বাংলায় কথা বলি আমি বাংলার কথা বলি" তথ্য প্রযুক্তির এই চরম উৎকর্ষতার যুগে কলমের কালির পাশাপাশি কম্পিউটারের কি-বোর্ডকে যেমন অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই, তেমনি জ্ঞানের ভাণ্ডার হিসেবে বই এর পাশাপাশি অনলাইনভিত্তিক তথ্যভাণ্ডারও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে শুরুতে কম্পিউটারের কি-বোর্ড শুধুমাত্র ইংরেজিতেই কথা বলত, আবার অনলাইন ভিত্তিক জ্ঞানের ভাণ্ডারকেও একসময় শুধুমাত্র ইংরেজিতেই কল্পনা করা যেত। সেকাল গেছে। আমাদের প্রাণের ভাষা বাংলা এখন কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটে একটি বহুল ব্যবহৃত ভাষা। আমাদের মনের কথাটি এখন বাংলাতেই আমরা কি-বোর্ডে টাইপ করতে পারি; বাংলাতেই খুঁজে পাই যে কোন প্রয়োজনীয় তথ্য। আর এই জন্য যে দুজন ব্যক্তিকে বাঙ্গালী জাতি আজীবন স্মরণ রাখবে, তাদের একজন বিজয় কি-বোর্ড এর উদ্ভাবক জনাব মোস্তাফা জব্বার এবং অন্যজন অভ্র কি-বোর্ড এর উদ্ভাবক জনাব মেহদী হাসান খান। বিজয় কি-বোর্ডঃ বিজয় কিবোর্ড হল মাইক্রোসফট উইন্ডোজ , ম্যাক ওএস এবং লিনাক্স -এ গ্রাফি...
সাহিত্য চর্চা
মাষ্টার গিয়াস উদ্দিন ব্যাচঃ ১৯৭৮ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিচর্চার মাধ্যমে মানুষের সার্বিক মনমনসিকতায় উন্নত জীবনবোধ এবং সাবলীল নীতিনৈতিকতার মানবিক গুনাবলীর বিস্তার লাভ করে তা সবাই কমবেশি জানেন ও বোঝেন। কিন্তু জীবনে সেই আদিকাল থেকে সকল ছাত্রছাত্রী কিছু কিছু কবিতা, গল্প এবং উপন্যাস পড়লেও কলম হাতে কারো সৃজনশীলতা বিকাশ করার মতো সিংগভাগেরই নেই। আমাদের এ বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বড় বড় জ্ঞানীগুনী লেখক, কবি সাহিত্যিক যাঁদের কাছ থেকে মহৎ জীবনের প্রেরণা পেয়ে মানব সভ্যতা তরতর করে এগিয়ে গেছে তাঁরা প্রত্যেকেই নিজেদের ছোটবেলা থেকে পা বাড়িয়েছেন তাঁদের শিক্ষক-অভিভাবক এবং সুধীজনদের আন্তরিক সহযোগিতায়। আমাদের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সুধীজনেরা এ ব্যাপারে অত্যন্ত কৃপন ও উদাসিন। দুই/চারটা ব্যাতিক্রম হয়তো থাকতে পারে। ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের বেশিরভাগের প্রত্যাশা হলো পরীক্ষার ফলাফল। মানে, A+ চাই, চাই। এ ভালো ফলাফল অর্জ ন করতে চাইলে এবং পেলে তা খুব চমৎকার। কিন্তু না পেলে তা ক্ষতি কি? সর্বতোমুখী জ্ঞানবিজ্ঞান ও সাহিত্য সংস্কৃতি পরিচর্চায় ছাত্রছাত্রীদের পরম উৎসাহিত করবার জন্যে আমাদের ওই ...

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন