পোস্টগুলি

সাহিত্য চর্চা

ছবি
মাষ্টার গিয়াস উদ্দিন  ব্যাচঃ ১৯৭৮ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিচর্চার মাধ্যমে মানুষের সার্বিক মনমনসিকতায় উন্নত জীবনবোধ এবং সাবলীল নীতিনৈতিকতার মানবিক গুনাবলীর বিস্তার লাভ করে তা সবাই কমবেশি জানেন ও বোঝেন। কিন্তু জীবনে সেই আদিকাল থেকে সকল ছাত্রছাত্রী কিছু কিছু কবিতা, গল্প এবং উপন্যাস পড়লেও কলম হাতে কারো সৃজনশীলতা বিকাশ করার মতো সিংগভাগেরই নেই। আমাদের এ বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বড় বড় জ্ঞানীগুনী লেখক, কবি সাহিত্যিক যাঁদের কাছ থেকে মহৎ জীবনের প্রেরণা পেয়ে মানব সভ্যতা তরতর করে এগিয়ে গেছে তাঁরা প্রত্যেকেই নিজেদের ছোটবেলা থেকে পা বাড়িয়েছেন তাঁদের শিক্ষক-অভিভাবক এবং সুধীজনদের আন্তরিক সহযোগিতায়। আমাদের ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং সুধীজনেরা এ ব্যাপারে অত্যন্ত কৃপন ও উদাসিন। দুই/চারটা ব্যাতিক্রম হয়তো থাকতে পারে। ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং অভিভাবকদের বেশিরভাগের প্রত্যাশা হলো পরীক্ষার ফলাফল। মানে, A+ চাই, চাই। এ ভালো ফলাফল অর্জ ন করতে চাইলে এবং পেলে তা খুব চমৎকার। কিন্তু না পেলে তা ক্ষতি কি? সর্বতোমুখী জ্ঞানবিজ্ঞান ও সাহিত্য সংস্কৃতি পরিচর্চায় ছাত্রছাত্রীদের পরম উৎসাহিত করবার জন্যে আমাদের ওই ...

পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষকমন্ডলী এলেন, ‍আমরা পুনরায় শেখলাম

ছবি
মাষ্টার গিয়াস উদ্দিন ব্যাচ: ১৯৭৮ বোকামি ও অজ্ঞতার একটা সীমা-পরিসীমা আছে। কিন্তু ওই সীমানা অতিক্রমে আমি যে একেবারে মহাবোকার স্তরে চলে গেছি, তা ভাবতে আমার চরম দুঃখ ও লজ্জা হয়। এইতো সেদিন মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এ বিদ্যালয়ের সুদীর্ঘ প্রায় চুয়ান্ন বছরের ব্যবধানে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদ একটি দৃষ্টান্তমূলক নব ইতিহাস সৃষ্টি করলো। সেদিন এ পরিষদের উদ্যোগে অত্র বিদ্যালয়ের শুরু  থেকে বিগত ২০১৮ পর্যন্ত যে পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষকমন্ডলী মোমবাতি ও ধূপের মতো নিরবে জ্বলে সুবাসিত জ্ঞানের আলোয় হাজারো ছাত্রছাত্রীর সামগ্রিক জীবনটাকে করেছেন পূর্ণিমার চাঁদের অনাবিল কিরণে উদ্ভাসিত, সেই মহান শিক্ষাগুরুজনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মানসে আয়োজন করা হয়েছিলো শিক্ষক ও স্টাফ সম্মাননা ও স্মরণ সভা। সকাল নয়টার পর থেকে আমাদের প্রাক্তন সম্মানিত শিক্ষকমন্ডলী বিদ্যালয়ে আসতে শুরু করলেন। যাঁদের অনেককে দেখলে অবাক ও বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকতে হয়। কেউ শারীরিভাবে প্রায় দুর্বল, কেউ বয়সের ভারে চলাফেরায় প্রায় অপারগ। কিন্তু তাঁদের ভেতর লুকিয়ে আছে ২২/২৩ বছরের তরুন-...

শুভ ও সফল হোক ডাকসু নির্বাচন

ছবি
মাষ্টার গিয়াস উদ্দিন ব্যাচঃ ১৯৭৮ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিয় ছাত্রসংসদ তথা ডাকসু মানে এ বাংলা এবং বাঙালির রক্তাক্ত ও দুঃসাহসিক গর্বিত ইতিহাসের মহাভিত্তি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ধারক ও বাহক। সেদিনের ছাত্রনেতা ও সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের জ্ঞানধ্যান ও বিজ্ঞোচিত দূরদর্শিতার কাছে পাকিস্তান সরকারের বাঘা বাঘা মন্ত্রী ও জেনারেলেরা চরমভাবে পরাজয় বরণ করেছিলো। তাঁরা বুঝতে পারলেন যে, সমগ্র বাঙালি জাতির উন্নতির পেছনে তার ভাষা, কৃষ্টিসভ্যতা ও সাহিত্য সংস্কৃতির বিকাশ ব্যতীত ভিন্ন কোন পথ নেই। অনেক বাগ-বিতন্ডা আর ঘাত-প্রতিঘাতের মাধ্যমে তাঁরা এসে দাঁড়ালেন ১৯৫২ সালের কোঠায়। এ ভাষা আন্দোলন ছিলো মূলতঃ সংস্কৃতির লড়াই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা দাঁড়িয়ে গেলো মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার আন্দোলনে।  ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে  সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগ্রামী ছাত্রসমাজ যে সংগ্রামের নবযাত্রা শুরু করলেন, পরবর্তীতে এ ডাকসু সৃষ্টির মধ্য দিয়ে তা আরো বেগবান হলো। ভাষাসহ সমগ্র বাঙালির সকল মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার তীব্র আপোষহীন সংগ্রামে সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিয় ছাত্রসংসদ তথা ডাকসু ছিল জাতির...

সৈয়দ আলী ও মুরগী চোর

ছবি
রিমা শর্মা ৬ষ্ঠ শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় একদেশে ছিল এক বনিক। সে বনিকের নাম ছিল সৈয়দ আলী। তাঁর ছিল মুরগির খামার। তিনি মুরগির ব্যবসা করতেন। তাঁর জীবন সুখ শান্তিতে কাটতে থাকে। তাঁর ছিল এক টিয়া পাখি। টিয়া পাখিটির নাম মিনি। মিনি সারাদিন উড়ে উড়ে মুরগির খামারের দিকে খেয়াল রাখতো। সৈয়দ আলী মিনিকে খাব ভালোবাসতেন। মিনিও সৈয়দ আলীকে খুব ভালোবাসতো। মিনিকে সৈয়দ আলী কথা বলতে শিখিয়েছিলেন। এখন মিনি পুরোপুরি কথা বলতে পারে।  সৈয়দ আলী ছিলেন অনেক বড় লোক। তাঁর বাড়িটি ছিল রাজপ্রাসাদের মতো। মুরগির খামারের পাশে ছিল তাঁর বাড়ি। একদিন তিনি বাড়িতে বিশ্রাম করছিলেন। সৈয়দ আলীর চোখে ঘুম চলে এলো। আর মিনি উড়ে উড়ে খামার পাহারা দিচ্ছিল। হঠাৎ একটা চোর সৈয়দ আলীর খামার থেকে তিনটি মুরগি নিয়ে পালাচ্ছিল। মিনি চোরকে দেখে চোর-চোর করে চিৎকার করছিল। চিৎকার শুনে সৈয়দ আলীর ঘুম ভেঙে গেল। তিনি বললেন,  কি হলো রে? কি হলো?  মিনি আবার চিৎকার করে উঠলো-  চোর, চোর।  এবার সৈয়দ সাহেব বাইরে এসে দেখলেন, চোরটা তাঁর মুরগি নিয়ে পালাচ্ছে। সৈয়দ আলীও তার পিছনে পিছনে দৌড়াতে লাগলেন। সৈয়দ আলী ও চোর...

একটি কুৎসিত গাছ

ছবি
আরাফাত হোসেন (তাহসিন) ৭ম শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় একসময় এক বনে ছিল একটি কুৎসিত গাছ। গাছটির ডালপালা এবং কান্ড সবটাই ছিল আঁকাবাঁকা এবং গাছটি ছিল গর্তে ভরা। তবে সে এটা তার দুর্বলতা মনে করতো না। তার আশেপাশে অনেক গাছ; যেমনঃ লিচু, আম, পেয়ারা, কেওড়া, কড়ই, মেহগনি ইত্যাদি গাছগুলো সবসময় তাকে নিয়ে ঠাট্টা করতো। তারা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করতো। তাকে নিয়ে বলতো, "বন্ধু, তুমি খুবই কুৎসিত, তুমি এই বনের সৌন্দর্য নষ্ট করছো।" সব গাছই নিজেদের সম্পর্কে বড়াই করতে লাগলো।  কুৎসিত গাছটি চুপ করে থাকল। মনে মনে ভাবল, "সৃষ্টিকর্তা আমাকে এই কুৎসিত দেহ দিয়েছেন। নিশ্চয়ই এর পেছনে কোন না কোন কারণ আছে।" একদিন একদল কাঠুরে এল গাছ কাটতে। তারা কুৎসিত গাছটি দেখল এবং বলল, এই গাছটি তাদের কোন কাজেই আসবে না। তাই তার অন্য গাছগুলো কাটতে লাগলো। কাঠুরেরা অন্যসকল গাছ কেটে নিয়ে গেল। তখন গাছটি ভাবলো, "সৃষ্টিকর্তা নিশ্চয় যা করেন, ভালোর জন্য করেন।" 

স্বাধীনতা

ছবি
মাসুমা আক্তার আইরিন ৭ম শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পূর্ব পাকিস্তানে জ্বলছে আগুন  পুড়ছে ঘর বাড়ি, মরছে মানুষ নির্বিচারে  শিশু পুরুষ নারী।  মন কাঁদে ভাই দেখে  লাশের সারি, অবিবেচক রাজাকাররা মানবতা ভুলে  করছে খুনো-খুনি।  মানুষের দুঃখ দেখতে না পেরে  শেখ মুজিব করে প্রতিবাদ, ডাক দিল বঙ্গবন্ধু  সাড়া দিল বাঙ্গালী।  শুরু হল যুদ্ধ  সাহস দিল মিত্ররা, আশ্রয় দিল সাহস দিল করলো সহযোগিতা।  রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হলো  পেলাম মোদের বাংলা, স্বাধীনতা আর্জিত হলো  উড়ল লাল সবুজের পতাকা। 

বাড়ছে পানি উপচে নদী

ছবি
তাজনীন খানম অহনা ষষ্ট শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় ঝর ঝর ঝর ঝরছে  বৃষ্টি সারা বেলা, বাড়ছে পানি উপচে নদী করবো নাকো হেলা। বাঁধের উপর উঁচু স্থানে  উঠি সবাই মিলে, বইখাতাও নিতে হবে  থাকবো নাকো ভুলে।  পানির ভিতর খেলাধুলা বন্ধ একেবারে রোগ জীবানু  পোকা-মাকড়  সাপও থাকতে পারে।  ছোট্ট শিশুর জন্য আছে  ডুবে যাওয়ার ভয়, ছোট বড় সবাইকে তাই  সজাগ থাকতে হয়। 

ব্যথা

ছবি
সাইফুল ইসলাম নাঈম ব্যাচঃ ২০১০  পুরনো তোমাকে ভাবলে কেমন যেনো একটা চাপা ব্যথা অনুভব হয় ভাবতে চাইনা তবুও ভাবনার করিডোরে তুমি বাড়াবাড়ি রকম আনাগোনা করছো আমার খুব কষ্ট খুব ব্যথা বুঝলে! আমার ব্যথা ভালো লাগে না। চোখটা এখন মরা নদী হয়ে গেছে, পুরনো বালিশটা ফেলে দিয়েছি কেমন যেনো নোনা পানির ছাপ বসে আছে। দেখলে আবার ব্যাথা পাই; জানো! আমার ব্যথা ভালো লাগে না। ডায়েরীর প্রায় সব পাতাই এখন নেই সব তোমার আঁকা ছবি কবিতা গান নাম আরো কতকি। সব তুমি আর তুমি, দেয়ালটাও রঙ করাতে হয়েছে কিন্তু আমার ভেতরের রঙটা ছিনিয়ে নিয়েছো সেটা যদি শিশুর রঙে রাঙাতে পারতাম আচ্ছা ব্যথার রঙটা কি বলে গেলেনা! তুমি কি না বলে এই রঙটা আমার ভেতর ঢেলে দিয়েছো, এত ব্যথা! এত ব্যথা কেনো? এই ব্যাথা আমার ভালো লাগেনা, খুব কষ্ট ঘরে একটিও আয়না রাখিনি সেলাই করা বুক আর তোমারি আদরে সিক্ত হওয়া মুখ দেখতে ভালো লাগেনা। ভেতরটা নতুন করে ভেঙে পড়ে তোমার হাতের গোছানো চুল গুলা দেখলে। মরা নদীতে অসময়ের পানি দেখি কেমন একটা চাপা কষ্ট, অনেক ব্যথা! জানো! আমার ব্যথা ভালো লাগে না সাদা শার্টের যে কটা বোতাম খুলে আমার বুকে চুমু দিয়েছিলে সব খুলে ফেলে ন...

'পাঠশালা'র ৩য় সংখ্যার বিজয়ীদের সনদপত্র ও পুরস্কার বিতরণ

ছবি
সৃজনশীল লেখালেখিকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে গত ১৫.০২.২০১৮ তারিখ যাত্রা শুরু করে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদের একটি  ব্লগ সাইট । এরপর থেকে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সৃজনশীল লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হতে থাকে উক্ত  ব্লগে।  পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীদের সাথে পরিষদের একটি সেতুবন্ধন তৈরির লক্ষ্যে এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদেরকে সৃজনশীল লেখালেখির সুযোগ করে দিতে এই  ব্লগে  আলাদাভাবে  পাঠশালা  নামে একটি বিভাগ খোলা হয়। এই বিভাগটি নির্ধারিত হয় শুধুমাত্র বিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল লেখা প্রকাশের জন্য।  বিগত দুই মাসের মত অক্টোবর '১৮ মাসেও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে সংগৃহীত লেখা ক্রমান্বয়ে প্রকাশিত হয়  পাঠশালা  বিভাগে। প্রতিটি শ্রেণি থেকে বেশ কিছু শিক্ষার্থী সৃজনশীল লেখা জমা দেয়। শিক্ষার্থীদের লেখাসমূহ হতে বাছাই করে প্রতি শ্রেণি হতে এক বা একাধীক শিক্ষার্থীকে সেরা লেখক ও চিত্রশিল্পী নির্বাচন করে সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।  বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ মহিউদ্দিনের উপস্থিতিতে গত ১১.১১.২০১৮ তারি...

গোয়েন্দা অনন্য

ছবি
অনন্য নিলীম দে ৬ষ্ঠ ‍শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় একসময় এক ছেলে ছিল। তার নাম অনন্য । সে যখন ৯ম শ্রেনিতে পড়ে, তার দেখা হয় একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ গোয়েন্দার সাথে । সেই গোয়েন্দার নাম ছিল মারিয়ো জনসন । মারিয়ো জনসন বাংলাদেশে ঘুরতে এসেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য যে, ঢাকা যাওয়ার পথে মিরসরাই নামক এক সুন্দর জায়গায় তিনি এক দূর্ঘটনার শিকার হন । তিনি যে গাড়িতে করে আসছিলেন, সেই গাড়িটি একটি বড় ট্রাকের ধাক্কায় পডে যায় এক খালে ।  অনন্য পানিতে ঝাঁপ দিয়ে সাঁতার কেটে সেই গোয়েন্দা আর তার গাড়ি চালককে  বাঁচায় । তারপর অনন্য তার বাড়িতে সেই গোয়েন্দা আর তার গাড়ি চালককে আশ্রয় দেয় এবং এক হাসপাতালে চিকিৎসা করায় । তারপর এক সপ্তাহ পর তারা দুইজন যখন সুস্থ হয় তখন অনন্য কে মারিয়ো জনসন জিজ্ঞেস করে -  তুমি কী চাও?   অনন্য বলে -  আমি একজন গোয়েন্দা হতে চাই।  মারিয়ো জনসন বললেন -  আজ থেকে তুমি আমার শিষ্য ।  তারপর অনন্যকে শিষ্য হিসেবে তিনি নিয়ে গেলেন তাঁর দেশ আমেরিকায়। তারপর তাকে আমেরিকার নিউ ইয়র্কে কঠোর প্রশিক্ষণ দিয়ে আবার ফেরত পাঠালেন ...

প্রিয় স্বাধীনতা (আঁকিবুঁকি)

ছবি
সাজেদা আক্তার আনিকা নবম শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

আমার প্রিয় খরগোশ

ছবি
বিবি আছমা  শ্রেণিঃ ৮ম, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়  আমার নাম আছমা। একদিন আমার বাবা আমার জন্য দুটি খরগোশ নিয়ে আসে। আমি খরগোশগুলোকে অনেক আদর করি। তাদের ঘাস খাওয়াই। আমি তাদের আমার পাশের রুমে রাখি। সকালে ঘুম থেকে উঠে সবার আগে আমি খরগোশগুলো দেখি, তারপর তাদের খাওয়ার দেই। আমি তাদেরকে গোসল করাই। আমি এখন ওদের ছাড়া এক মুহূর্তও থাকতে পারি না। স্কুলে যাওয়ার সময় তাদের সাথে কথা বলে যাই। আমি ওদের কথা বোঝার চেষ্টা করি। কিন্তু আমি ওদের ভাব দেখে সব বুঝি। ওরাও আমার কথা বুঝে। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে এসে হাত মুখ ধুয়ে আমাদের বাড়ির ফুলের বাগানে ওদের ঘুরতে নিয়ে যাই। বাগানে ওরা ঘুরে ঘুরে খেলে। ওদের ঘুরার পর ঘরে ফিরে ওদের রেখে হাত মুখ ধুয়ে পড়তে বসি।  তারপর পড়ার টেবিল থেকে উঠে ওদের সাথে কথা বলি। তারপর তাদের খাওয়ার দিয়ে আমি খেতে বসি। খাওয়ার পরে ঘুমাতে যাওয়ার আগে তাদের দেখে আসি এবং ঘুমাই। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি আবার ওদের সঙ্গী হই। তারা আমার প্রাণের চেয়েও প্রিয়। তাদের ছাড়া আমি এক মুহূর্তও থাকতে পারি না। এখন তারাই আমার প্রিয় বন্ধু। 

পানি ও বায়ু দূষণ (আঁকিবুঁকি)

ছবি
শাজরীল নিসপা শ্রেণীঃ ৬ষ্ঠ, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়

আবার হাঁটবে আলাউদ্দিন, ফুটবে হাসি মুখে

ছবি
টানাটানির সংসার আলাউদ্দিনের। কখনো ট্রলি, কখনো নছিমন চালিয়ে কোন রকমে দিন কাটত তার৷ কিন্তু বিধি বাম। ২০০৯ সালের একদিন নছিমন চালানো অবস্থায় বড়তাকিয়া এলাকায় শিকার হয় ভয়াবহ দূর্ঘটনার। প্রাণে বেঁচে গেলেও বিকল হয়ে যায় ডান পা; পঙ্গু হয়ে যায় আলাউদ্দিন। এই বিকল পা সুস্থ করতে হলে প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসা; প্রয়োজন   কয়েক লক্ষ টাকা।   সংসারের  একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি সে। সংসারই চলে না ঠিকঠাক, চিকিৎসা করাবে কিভাবে? ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ০৮ বছর অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। অনেকে আশার বানী শুনালেও এই পাহাড়সম চিকিৎসা ব্যয়ের ভার নিতে কেউই সম্মত হননি। হাল ছেড়ে দেয় আলাউদ্দিন। মুখের হাসি মিলিয়ে যায় তার, মেনে নেয় আজীবন পঙ্গুত্বের গ্লানি; চির দারিদ্র্য  সঙ্গী হয় তার। ২০১৮ সালের ২৬শে মার্চ মহান  স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে  "প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদ; মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়" বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার আয়োজন করে। অন্যান্য অনেকের মত  খবর পায় আলাউদ্দিন। মনঃস্থির করে, 'শেষ চেষ্টা; গিয়ে দেখি কিছু হয় কিনা।' চিকিৎসা ক্যম্পে তার অবস্থা দেখে তাকে ...

মা

ছবি
মাহদী মোহাম্মদ (ফাহিম) ৮ম শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মা, তোমায় ছাড়া আমি  কিছুই চাইনা এই ভূবনে, যখন দেখি তোমার মিষ্টি হাসি  দুঃখ থাকেনা আমার মনে। মনে ভাবি একদিন  ছিলাম তোমার কোলে,  তুমি আমায় ঘুম পাড়াতে  দোলনা দুলিয়ে।  মা, তুমি আমার এক জীবনে  একটাই প্রেরণা,  তোমায় ঋণ এই জীবনে  কখনোই শোধ হবে না।  

আমাদের গ্রাম

ছবি
মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল জাবের শ্রেণিঃ ৭ম, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় আমাদের গ্রামখানি ছবির মতো, গাছে গাছে ফুল ফল আছে আরো কতো। খালে আছে বিলে আছে প্রচুর মাছ, রোদের গরমে ছায়া দেয় গাছ।  গ্রামের শীতল বাতাস জুড়োয় সবার প্রাণ, সকলের মুখে মুখে গান আর গান।  জেলেভাই ধরে মাছ নদীর দুই কূলে, গাছগুলো ভরে আছে রঙিন ফুলে।  মাঠ ভরা সবুজ ফসলের হাসি, আমাদের গ্রামটাকে অনেক ভালবাসি। 

শীতের হারানো খুশি

ছবি
অরিজিৎ দেবনাথ ১০ম শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়  শীতের পিঠা খেতে মিঠা লাগছে খেতে ভালো  শীতটি যেন না চলে যায় থাকবে সে কি আরো? শীতের দিনে গ্রামের কথা বেশি মনে পরে  ইচ্ছে করে গ্রামে গিয়ে  থাকতে শীতের দিনে।  শীতের সকাল গ্রামে সবাই  এতই মজা করে  ইচ্ছে করে দেখতে থাকি  দুটি নয়ন ভরে।  শীতের পিঠা গ্রামে এসে  খেতে লাগে ভালো খেজুরের রস দিয়ে আমি  পিঠা খাবো আরো।  শীতের সকাল উঠে আমি রস খুঁজতে যাই এক হাঁড়ি রস পেলে  ছুটে নিয়ে পালাই।  জ্যোৎস্না রাতে আমরা সবাই  লুকোচুরি খেলি  সবাই মিলে একই সাথে  অনেক মজা করি।  শীতের মজাগুলো তুমি  দেখতে যদি চাও একবার তুমি গ্রামের দিকে  চোখ ফিরিয়ে তাকাও। 

প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদ; মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

ছবি
তরুন প্রজন্মকে খেলাধুলামুখী করা, অত্র এলাকার খেলাধুলার অগ্রগতিতে অবদান রাখা, সুস্থ বিনোদনকে উৎসাহিত করা প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদের অন্যতম লক্ষ্য। এই লক্ষ্যে "প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদ; মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়" গত ২৬.১০.২০১৮ তারিখ রোজ শুক্রবার অত্র উপজেলার ক্ষুদে ফুটবলারদের প্রশিক্ষণের জন্যে ০৬টি বল প্রদান করে। শুক্রবার বিকাল ০৩ ঘটিকায় পরিষদের কার্যালয়ে বলগুলো হস্তান্তর করা হয় উক্ত প্রশিক্ষণের সম্মানিত প্রশিক্ষক ও মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত ক্রীড়া শিক্ষক  জনাব দিদারুল আলম ও সাবেক ক্রীড়া শিক্ষক জনাব মোঃ শাহজাহানের কাছে। উল্লেখ্য যে, উপজেলার ক্ষুদে ফুটবলারদের দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত ক্রীড়া শিক্ষক জনাব দিদারুল আলম ও সাবেক ক্রীড়া শিক্ষক জনাব মোঃ শাহজাহান প্রতি বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার বিকেলে সম্পূর্ণ বিনা পারিশ্রমিকে ক্ষুদে খেলোয়াড়দের উপজেলা স্টেডিয়ামে প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন। সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছেন প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী পরিষদের দপ্তর সম্পাদক জনাব নূর উদ্দিন।

আদুভাই; দ্যা ফ্রিডম ফাইটার

ছবি
মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ জুবায়ের ৭ম শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়  গল্পটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ঃ- আমরা প্রায় সবাই আদুভাই সম্পর্কে কম বেশি জানি। তাকে আমরা এক গল্পের মাধ্যমে চিনি। সে গল্পটিতে তার চরিত্র ছিল এক সাধারণ মানুষের। ঐ গল্পটিতে আদুভাই অনেক বড় ছিল এবং তার দাড়ি গোঁফও ছিল কিন্তু তবুও সে ক্লাস সেভেনে পড়ত। একসময় সে ক্লাস প্রমোশনের জন্য এত পড়ালেখা করে যে, তার মৃত্যু ঘটে। আমরা যারা আদুভাই সম্পর্কে জানি না তারা ক্লাস সেভেনের আনন্দ পাঠে গল্পটি পড়ে বুঝতে পারব। কিন্তু আমার এ গল্পটিতে আদুভাইয়ের চরিত্র এক মুক্তিযোদ্ধার, সংগ্রামী ব্যক্তির। আশাকরি, বন্ধুরা তোমাদের গল্পটি ভাল লাগবে।  ------------- ১. তখন ১৯৫২ সাল। আদুভাইয়ের বয়স ৮ বছর। তখন সে ২য় শ্রেণিতে পড়ত। তখন একদিন ঢাকার সড়কে সে একটি ডাক শোনে; যেটি তার বুকের এক অস্ত্র মানবকে জাগিয়ে তোলে। সেটি হচ্ছে, “মাতৃভাষা বাংলা চাই।” সঙ্গে সঙ্গে আদুভাইয়ের সামনে এক ছাত্রকে পাকিস্তানি মিলিটারি গুলি করে মারে। রক্ত ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। আদুভাই তখন ভয় ও কষ্ট জর্জরিত বুকে সেখান থেকে পালিয়ে যায় কিন্তু তার ইচ্ছে হয় ঐ খুনিদের বিরুদ...

গ্রাম বাংলা (আঁকিবুঁকি)

ছবি
বিবি মরিয়ম ৭ম শ্রেণি, মীরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়